![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে শতাধিক গরুর চামড়া ফেলে পরিবেশ দূষণের অভিযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রাণ হিসেবে পরিচিত তিতাস নদীতে কোরবানির পশুর বিপুল পরিমাণ চামড়া ফেলে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, নদীর পানিতে শতাধিক গরুর চামড়া ভাসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চামড়াগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার ফলে পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কোরবানির ঈদের পর চামড়ার বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় অনেকেই চামড়া সংরক্ষণ না করে নদীতে ফেলে দিয়েছেন। এতে নদীর বিভিন্ন অংশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে এবং নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া
ঘটনার ছবি প্রকাশের পর ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে পরিবেশের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেছেন।
পরিবেশবিদদের মতামত
পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, নদীতে পশুর চামড়া বা জৈব বর্জ্য ফেলে দিলে পানির অক্সিজেনের মাত্রা কমে যেতে পারে। এর ফলে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণীর জীবন হুমকির মুখে পড়ে। পাশাপাশি দীর্ঘসময় ধরে এসব বর্জ্য পানিতে থাকলে দুর্গন্ধ সৃষ্টি এবং পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোরবানির পশুর চামড়া ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নদী থেকে চামড়াগুলো অপসারণ এবং দায়ীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
✔ তিতাস নদীতে শতাধিক গরুর চামড়া ফেলার অভিযোগ
✔ পানি ও পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা
✔ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা
✔ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি স্থানীয়দের
✔ জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা
